ব্রেকিং নিউজ :
সরকার ভুল করলে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন: আইনমন্ত্রী অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট, তথ্যদাতাকে ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গঙ্গা চুক্তি নতুন উদ্যোগ বাংলাদেশের, জেআরসিতে আলোচনা চায় ভারত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুরোনো পদ্ধতি, নতুন সিন্ডিকেট ‘হরমুজে তেল পরিবহন স্বাভাবিক’, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি নাকচ ইরানের নেপালে ৬৭৫ জনের লাশ উদ্ধার, অব্যাহত উদ্ধার অভিযান ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সাত নির্দেশনা স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে তৃণমূলকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা বিএনপির রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি মক্কা চুক্তিতে ঢাকার যুক্ত হওয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যা জানাল ভারত

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া

  • Update Time : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ Time View

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় মিয়ানমারের দুটি নৌযুদ্ধজাহাজ এবং একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহার করা হবে।’ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ৪ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে শরণার্থী নিবন্ধন নথি (ডিপিপি) কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। আর মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫ হাজার মানুষ স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের মাঝামাঝি মালয়েশিয়ার অভিবাসন আটককেন্দ্রগুলোতে ১০ হাজার ৩৮৮ জন মিয়ানমারের নাগরিক আটক ছিলেন। তবে তাদের সবাইকে শরণার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। আটক ব্যক্তিদের পরিচয়, নাগরিকত্ব, অভিবাসন অবস্থা, আশ্রয় আবেদন এবং নিরাপত্তাগত পটভূমি যাচাই করতে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ পুলিশের সঙ্গে কাজ করছে। এই যাচাইয়ের কাজ বছরের শেষ নাগাদ শেষ হওয়ার কথা।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে মালয়েশিয়া সরকার জানিয়েছিল, প্রত্যাবাসনের পর শরণার্থীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়লে তাদের ফেরত পাঠানো হবে না। মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল বলেন, ‘মালয়েশিয়া একটি দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে ৫ হাজার মিয়ানমার শরণার্থীকে ফেরত পাঠাবে না, যদি তারা নির্যাতনের শিকার হন অথবা তাদের জীবন হুমকির মুখে পড়ে।’

তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, বর্তমানে মিয়ানমারে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি নেই। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এখনও যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করে চলেছে।

নিজ দেশে নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। যদিও দেশটি ১৯৫১ সালের জাতিসংঘের শরণার্থী কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী নয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে শরণার্থীর মর্যাদাও স্বীকৃতি দেয় না। তারপরও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বড় শরণার্থী জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছে মালয়েশিয়া।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার হিসাবে, দেশটিতে ২ লাখ ১৫ হাজারের বেশি নিবন্ধিত শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ১ লাখ ২৬ হাজারের বেশি, যা দেশটির সবচেয়ে বড় শরণার্থী জনগোষ্ঠী। গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পালিয়ে আসার নয় বছর পূর্ণ হয়েছে। সে সময় সামরিক দমন-পীড়ন থেকে বাঁচতে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। বর্তমানে বাংলাদেশে সেই সংখ্যা ১০ লাখের বেশি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025 shadinota
Design & Development By HosterCube Ltd.