ব্রেকিং নিউজ :
সরকার ভুল করলে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন: আইনমন্ত্রী অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট, তথ্যদাতাকে ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গঙ্গা চুক্তি নতুন উদ্যোগ বাংলাদেশের, জেআরসিতে আলোচনা চায় ভারত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুরোনো পদ্ধতি, নতুন সিন্ডিকেট ‘হরমুজে তেল পরিবহন স্বাভাবিক’, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি নাকচ ইরানের নেপালে ৬৭৫ জনের লাশ উদ্ধার, অব্যাহত উদ্ধার অভিযান ঢাকার যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সাত নির্দেশনা স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে তৃণমূলকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা বিএনপির রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি মক্কা চুক্তিতে ঢাকার যুক্ত হওয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যা জানাল ভারত

গঙ্গা চুক্তি নতুন উদ্যোগ বাংলাদেশের, জেআরসিতে আলোচনা চায় ভারত

  • Update Time : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ Time View

গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) কাঠামোয় আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে ভারত। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন চুক্তি করার উদ্যোগ নেওয়া বাংলাদেশ এখন এ বিষয়ে নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সই হয়েছিল। বাংলাদেশ ও ভারতের সব পানি ও নদী-সংক্রান্ত বিষয় দ্বিপক্ষীয় যৌথ নদী কমিশনের আলোচ্যসূচির অংশ হিসেবে আলোচনা করা হয়।

তিনি বলেন, গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির যৌথ কমিটির বৈঠকও কারিগরি পর্যায়ে অব্যাহত রয়েছে।এদিকে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ভারতের সঙ্গে নতুন চুক্তি করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।

দেশের জনগণের পানির অধিকার সংরক্ষণ করেই নতুন চুক্তি করতে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, অভিন্ন নদীগুলো থেকে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন চুক্তি প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।‘আমরা এখন তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছি।’
১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সই হওয়া গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর। আগামী ডিসেম্বর মাসে চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন করে চুক্তি করার আগে বিদ্যমান চুক্তিটি ব্যাপকভাবে পর্যালোচনা ও সংস্কারের প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদ, নগর পরিকল্পনাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও পরিবেশবিদদের সম্পৃক্ত করে পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথভাবে পানি বণ্টন নিশ্চিত করা না গেলে বাংলাদেশকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে হতে পারে।

মরিশাসে নবম ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে অংশ নেওয়ার সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছিলেন, বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক প্রয়োজন নিশ্চিত করে এমন একটি নতুন বা সংশোধিত চুক্তি চায় সরকার।
সম্মেলনের ফাঁকে এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এগুলো অভিন্ন নদী। এখানে আমাদের অভিন্ন ঐতিহ্য, অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। তাই এমন একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই, যা জনগণের আস্থা অর্জন করবে। আগামী ২৫ থেকে ৫০ বছরের সম্পর্কের ভিত্তি তৈরির জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

বাংলাদেশ সেন্টার ফর ইন্দো-প্যাসিফিক অ্যাফেয়ার্সের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক শাহাব এনাম খান বলেন, প্রায় তিন দশক আগে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি হওয়ায় বর্তমান বাস্তবতার আলোকে এটি সংশোধন করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য গঙ্গা চুক্তি নবায়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি সংশোধন করতে হবে। এর খুব সহজ কারণ হলো, চুক্তিটি প্রায় তিন দশক আগে করা হয়েছিল।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025 shadinota
Design & Development By HosterCube Ltd.