ব্রেকিং নিউজ :
রোজার পরেই এইচএসসি পরীক্ষা, পেছানোর কারণ নেই: শিক্ষামন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান দেশের মানুষ কখনোই স্বৈরাচারী শাসনকে মেনে নেয়নি: স্পিকার যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে আছে: সারাহ আলড্রিচ সরকারি চাকরিজীবী বেতন বাড়বে ১০০-১৪২%, দেওয়া হবে চার ধাপে ৪৮ বছরের পথচলা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার অগ্রযাত্রায় বিএনপি বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা তারেক রহমানের সরকার ভুল করলে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন: আইনমন্ত্রী অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট, তথ্যদাতাকে ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪৮ বছরের পথচলা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার অগ্রযাত্রায় বিএনপি

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ Time View

আজ ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। নানা চড়াই-উতরাইয়ের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে দলটি পঞ্চমবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায়।
দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁরই নেতৃত্বে বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। প্রত্যাশা-প্রাপ্তির সংযোগ ঘটাতে তারেক রহমান দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে অবিরাম ছুটে চলছেন। দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ বাস্তবায়নে নিজের সবটুকু উজাড় করে দিচ্ছেন তিনি।

দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

১৯৭৮ সালের এই দিনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি দলটির চেয়ারম্যান ছিলেন। জিয়াউর রহমানের পর বেগম খালেদা জিয়া দলটির হাল ধরেন। এখন দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান। ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলের হাল ধরেন তারেক রহমান। ৪৮ বছরের রাজনৈতিক পথচলায় দলটি পাঁচবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, আবার দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থেকেছে।

এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে দলটি চ্যালেঞ্জ ক্ষমতায় থেকে রাষ্ট্র পরিচালনায় নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করা।
দিনটি স্মরণে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো পোস্টার প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির বাইরে সারা দেশে জেলা ও মহানগর বিএনপি ও এর ইউনিটগুলো আলাদাভাবে আলোচনা এবং অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে।

দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা বলছেন, বিএনপির রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, বহুদলীয় গণতন্ত্র, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। দলটির প্রতিষ্ঠার সময় ১৯ দফা কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছিল। বিএনপির রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি হলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের চিন্তা ও আদর্শ। রাজনৈতিক শূন্যতার সময়ে তিনি বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন ধারার সূচনা করেন। জিয়াউর রহমানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা। বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতি, নৃগোষ্ঠী, ধর্ম ও বর্ণের মানুষ বসবাস করে। সবাইকে একটি অভিন্ন রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের অধীনে ঐক্যবদ্ধ করাই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল কথা। বিএনপি একটি জাতীয়তাবাদী দল। আর জাতীয়তাবাদের অর্থ হলো দেশের জাতীয় অর্থনীতি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। শহীদ জিয়াউর রহমান স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেই লক্ষ্যেই গ্রাম থেকে উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। খাল খনন কর্মসূচিসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি জনগণকে সম্পৃক্ত করে দেশকে স্বনির্ভর করার চেষ্টা করেছিলেন। এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল বার্তাও হচ্ছে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা এবং জনগণের ঐক্য ও কল্যাণের রাজনীতিকে আরো শক্তিশালী করা।

দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ দলের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করবেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিরবিদায়ের পর এটিই বিএনপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, যা দলটির ইতিহাসে এক অত্যন্ত আবেগঘন এবং সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। ১৯৮১ সালে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর তীব্র সংকটে পড়া বিএনপিকে ১৯৮৩-৮৪ সাল থেকে সুদীর্ঘ চার দশক ধরে আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে আগলে রেখেছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে মৃত্যুর পর বর্তমানে দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরই উত্তরাধিকারী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাই প্রথমবার দলের অভিভাবক বা শীর্ষ চালিকাশক্তি হিসেবে খালেদা জিয়ার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপস্থিতি ছাড়াই বিএনপি তাঁর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে।’

তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন দলটির ভেতর সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঐক্যের প্রতীক। তাঁর অনুপস্থিতিতে দলের ভেতরে শতভাগ চেইন অব কমান্ড এবং ঐক্য বজায় রাখাই বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব। অন্যদিকে রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সফলভাবে বহন করারও বিরাট চ্যালেঞ্জ রয়েছে তাঁর ওপর। খালেদা জিয়ার আপসহীন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির যে ধারা, তা ২০২৬ সালের সমসাময়িক শাসনব্যবস্থা ও তরুণ প্রজন্মের নতুন আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সমন্বয় করে এগিয়ে নিতে হবে। খালেদা জিয়ার আজীবনের লালিত স্বপ্ন একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার, তা রক্ষা করা এখন বিএনপির নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্নিপরীক্ষাও।’

রিজভী আরো বলেন, ‘আমরা এক দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। আদর্শিক নেতৃত্বের যে যুগান্তকারী অবস্থান তিনি তৈরি করেছিলেন তা জাতির মধ্যে বড় ধরনের প্রভাব বিস্তার করে। তরুণদের মধ্যে সেখানে আমিও উদ্দীপ্ত হই এবং এরশাদবিরোধী আন্দোলন অর্থাৎ গণতন্ত্রের যে আন্দোলন সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সেই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ি। একটা দীর্ঘ সময় তাঁর নেতৃত্বে কাজ করেছি, এটা আমার পরম পাওয়া।’

তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে দেশনেত্রীর নিপীড়ন নির্যাতন ভোগ করার যে দুঃখময় স্মৃতি সেটাও আমায় ব্যথিত করে। আমি ভীষণভাবে বেদনার্ত। তবুও এখনো মনে হয়, তিনি যেন আমাদের মাঝে আছেন। তিনি জীবিত আছেন। এখনো যেন মনে হয় না তিনি এই পৃথিবী থেকে চলে গেছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জুলাই-বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত গণতন্ত্রকে আরো বেশি শক্তিশালী করবে, এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থেই একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাজনৈতিক শূন্যতার সময়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন। আমাদের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি হলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের চিন্তা ও আদর্শ। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের বার্তা দিয়েছিলেন, আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা হলো, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে প্রভুত্ব নয়। প্রত্যেক দেশ তার নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ দেখবে। আমরা অন্যের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করব না, অন্য দেশও বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করবে না।’

বিএনপির সামনে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দেশকে নতুন করে পুনর্গঠন করা। দীর্ঘদিনে অর্থনীতি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থাকেও দুর্বল করা হয়েছে। এখন এসব প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীন, কার্যকর ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে। অর্থনীতিকে পুনর্গঠনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তবে বর্তমান প্রজন্মের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র। অপসংস্কৃতি ও মৌলবাদী চিন্তার বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করে একটি সুস্থ, মুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।’

সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ৪৮ বছরে এসে বিএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা এখন রাষ্ট্র পরিচালনা। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকার সময় দলটির যে প্রত্যাশা ও দাবি ছিল, সেগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন তাদের হাতেই। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বাড়ানো, প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন বিএনপি সরকারের জন্য তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা এবং নির্বাচনী ম্যান্ডেটকে কিভাবে কার্যকর রাষ্ট্র পরিচালনায় রূপ দেওয়া যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি

শেরেবাংলানগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার সকালে দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি রয়েছে। যার সূচনা হবে দলের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে।

আজ নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়সহ সারা দেশে জেলা অফিসগুলোতে বিএনপির পতাকা উত্তোলন করা হবে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয়ভাবে আলোচনাসভা ও সারা দেশে বৃক্ষরোপণ এবং মৎস্য অবমুক্ত কর্মসূচি পালন করা হবে।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনাসভা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারাসহ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা এতে অংশগ্রহণ করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025 shadinota
Design & Development By HosterCube Ltd.